পোলার ফ্লিস কোথা থেকে এসেছে?
পোলার ফ্লিস এসেছে ম্যাসাচুসেটসের লরেন্স থেকে। 1970-এর দশকের শেষ দিকে শিশুদের বান্টিং কাপড়ে বিশেষজ্ঞ পারিবারিক বস্ত্র প্রতিষ্ঠান মলডেন মিলস পলিয়েস্টারকে বানিয়ে তোলে উলের হালকা, উষ্ণ প্রতিদ্বন্দ্বী, আর কাপড়টির কখনো পেটেন্ট না হওয়ায় ফ্লিস দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে সবখানে।
উলের মতো কাজ করা পলিয়েস্টার
উল ছিল উষ্ণ, কিন্তু চুলকাত, ভিজলে গন্ধ ছাড়ত, আর পোকায় কাটত। কলের মালিক অ্যারন ফয়ারস্টাইনের অধীনে মলডেন মিলসের একদল প্রকৌশলী অতি সূক্ষ্ম পলিয়েস্টার সুতো বুনে তৈরি করেন হালকা টার্কি তোয়ালের মতো এক ঘন কাপড়। আঁশগুলো ব্রাশ করায় এর আয়তন অনেক বেড়ে যায়, ফলে এটি উষ্ণতা ধরে রাখত আর পানি টেনে বাইরে বের করে দিত। ফয়ারস্টাইনের দাদা হেনরি 1906 সালে কোম্পানিটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, আর অ্যারন সেখানে কাজ করছিলেন 1947 সাল থেকে।
কারখানা থেকে সবার কাছে
1981 সালে, তখন প্রায় অচেনা পর্বতারোহণ-সরঞ্জাম প্রতিষ্ঠান প্যাটাগোনিয়ার মালিক ইভন শুইনার্ডের সঙ্গে মিলে, ফয়ারস্টাইন কাপড়টি নিয়ে আসেন খেলাধুলার পোশাকের বাজারে। এর প্রথম সংস্করণের নাম ছিল Synchilla, ‘synthetic chinchilla’ বা কৃত্রিম চিনচিলা থেকে, আর মলডেন মিলস 1981 সালের 6 অক্টোবর PolarFleece ট্রেডমার্ক নিবন্ধন করে। ফয়ারস্টাইন কখনো কাপড়টির পেটেন্ট নেননি, তাই অন্য নির্মাতারা সস্তায় এটি তৈরি করতে পারত। এক দশকের মধ্যে ফ্লিস হয়ে ওঠে রোজকার জীবনের অংশ, আর 1993 সাল থেকে নির্মাতারা পুনর্ব্যবহৃত উপাদান থেকে ফ্লিস তৈরির কাজ শুরু করে।
কেন বলা হয় নিউজিল্যান্ড
নামটি ভেড়ার দিকে ইঙ্গিত করে: fleece মানে ভেড়ার পশমি আবরণ, আর পোলার ফ্লিস তৈরি হয়েছিল উলের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে। কিন্তু এতে একটুও উল নেই। এটি পলিয়েস্টার, এক ধরনের প্লাস্টিক, আর কিছু ফ্লিস তৈরি হয় এমনকি পুনর্ব্যবহৃত PET বোতল থেকে। এটি নিজের ওজনের 1%-এরও কম পানি ধরে রাখে আর দ্রুত শুকায়, যদিও ভিজলে এর বেশির ভাগ উষ্ণতা হারিয়ে যায়। এর জন্মভূমি ম্যাসাচুসেটসের এক বস্ত্রকল, ভেড়ার দেশ নয়।
সূত্র: en.wikipedia.org › Polar fleece ↗ · nytimes.com ↗ · cbsnews.com ↗ · en.wikipedia.org › Malden Mills ↗