Whence
গোল্ডেন রিট্রিভার (কুকুরের জাত)
প্রাণী

গোল্ডেন রিট্রিভার (কুকুরের জাত) কোথা থেকে এসেছে?

গোল্ডেন রিট্রিভার এসেছে স্কটিশ হাইল্যান্ডস থেকে। 1868 সালে গ্লেন অ্যাফ্রিকে নিজের গিসাখান এস্টেটে স্যার ডাডলি মারজোরিব্যাংকস জাতটির প্রথম দফার বাচ্চাগুলোর প্রজনন করান; তাঁর লক্ষ্য ছিল নিজের চোখে সেরা এক রিট্রিভার তৈরি করা।

এক হলুদ বাচ্চা আর এক জলের স্প্যানিয়েল

ব্যবসায়ী ও সংসদ সদস্য মারজোরিব্যাংকস 1856 সালে গিসাখান কেনেন আর সেখানে বড় বড় কুকুরশালা রাখতেন। 1860-এর দশকে তিনি পান নাউসকে, ঢেউখেলানো লোমের এক হলুদ রিট্রিভার, যে ছিল এক বিয়ানে জন্মানো কালো বাচ্চাদের মধ্যে একমাত্র হলুদ; শিকারের কুকুর তখন কালো হওয়াই ছিল ফ্যাশন। 1868 সালে তিনি নাউসকে মিলিয়ে দেন বেলের সঙ্গে, এক টুইড ওয়াটার স্প্যানিয়েল, অর্থাৎ টুইড নদী অঞ্চলের এক বাদামি জলকুকুর, যার জাত আজ বিলুপ্ত। তাদের চার হলুদ বাচ্চা, যাদের মধ্যে ছিল কাউস্লিপ, ক্রোকাস আর প্রিমরোজ, জাতটির ভিত্তি গড়ে।

প্রজনন-খাতায় লিখে রাখা

মারজোরিব্যাংকস যত্ন করে হিসাব রাখতেন। পরের দুই দশকে তিনি এই বংশধারায় মেশান আরেকটি টুইড ওয়াটার স্প্যানিয়েল, একটি রেড সেটার, একটি কালো ফ্ল্যাট-কোটেড রিট্রিভার আর একটি কালো ল্যাব্রাডর, রেখে দেন শুধু সোনালি বাচ্চাগুলো। 1868 থেকে 1890 সাল পর্যন্ত তাঁর স্টাড বুক, অর্থাৎ প্রজনন-খাতা, সংরক্ষিত আছে লন্ডনের কেনেল ক্লাবে। 1960 সালে প্রকাশিত এ নিয়ে গবেষণা সেই রোমান্টিক গল্পগুলো খণ্ডন করে, যেগুলো বলত জাতটি রুশ সার্কাসের কুকুরদের বংশধর। কেনেল ক্লাব 1913 সালে গোল্ডেন রিট্রিভারদের জন্য আলাদা নিবন্ধন খোলে।

কেন উত্তর আমেরিকার কথা বলা হয়

কানাডা আর যুক্তরাষ্ট্রে গোল্ডেন রিট্রিভার এতই চেনা পারিবারিক কুকুর যে অনেকে ধরে নেন, এর শুরু সেখানেই। মারজোরিব্যাংকসের দুটি কুকুর সত্যিই আগেভাগে আটলান্টিক পার হয়েছিল: তাঁর ছোট ছেলে আর্চি সোল নামের একটি পুরুষ কুকুরকে নিয়ে যান টেক্সাসে নিজের র‍্যাঞ্চে, আর লেডি নামের একটি মাদি কুকুরকে কানাডায়; লেডি 1895 সালে তাঁর সঙ্গে ব্রিটেনে ফিরে আসে। কিন্তু পশ্চিমা বিশ্বে জাতটি ছড়ায় কেবল 1920 আর 1930-এর দশকে, আর আমেরিকান কেনেল ক্লাব একে স্বীকৃতি দেয় 1932 সালে।

সূত্র: en.wikipedia.org › Golden Retriever ↗ · en.wikipedia.org › Dudley Marjoribanks, 1st Baron Tweedmou… ↗ · akc.org ↗

আরও প্রাণী

বাজরিগার
প্রাণী

বাজরিগার

📍 অস্ট্রেলিয়ার অভ্যন্তরভাগ

বুনো বাজরিগার থাকে অস্ট্রেলিয়ার শুষ্ক অভ্যন্তরভাগজুড়ে, আর প্রতিটি বুনো পাখিই সবুজ-হলুদ। নীল, সাদা আর হলুদ পোষা পাখিগুলো খাঁচায় প্রজননে তৈরি রঙের রূপভেদ; খাঁচায় বাজরিগার পালন চলছে 1850-এর দশক থেকে।

অস্ট্রেলিয়ান শেপার্ড (কুকুরের জাত)
প্রাণী

অস্ট্রেলিয়ান শেপার্ড (কুকুরের জাত)

📍 পশ্চিম যুক্তরাষ্ট্র (ক্যালিফোর্নিয়া থেকে রকি পর্বতমালা)

নাম সত্ত্বেও এই ‘অসি’ গড়ে তোলেন পশ্চিম যুক্তরাষ্ট্রের পশুপালকেরা ঊনবিংশ শতকে; নামটি সম্ভবত অস্ট্রেলিয়া থেকে ভেড়ার সঙ্গে আসা কলি কুকুরের কারণে। এক রোডিও শিল্পীর কৌশলী কুকুরেরা বিংশ শতকের মাঝামাঝি জাতটিকে বিখ্যাত করে।

নিয়ন টেট্রা (অ্যাকোয়ারিয়ামের মাছ)
প্রাণী

নিয়ন টেট্রা (অ্যাকোয়ারিয়ামের মাছ)

📍 পশ্চিম আমাজন (ব্রাজিল, পেরু ও কলম্বিয়া)

নিয়ন টেট্রা এসেছে পশ্চিম আমাজনের অন্ধকার কালো-পানির ঝরনা থেকে, যেখানে ব্রাজিল, পেরু ও কলম্বিয়া মিলেছে। যুক্তরাষ্ট্রে বিক্রি হওয়া বেশিরভাগ নিয়ন এখন দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার খামারে পালা, আর রাতে বিশ্রামের সময় এদের জ্বলজ্বলে ডোরা ধূসর হয়ে যায়।

ইউরোপ থেকে আরও গল্প

গোরোদকি (লাঠি আর পিনের খেলা)
খেলা

গোরোদকি (লাঠি আর পিনের খেলা)

📍 পশ্চিম রাশিয়া

রুশ ভাষায় ‘ছোট শহর’ গোরোদকিতে খেলোয়াড়েরা ভারী লাঠি ছুড়ে ‘শহর’ নামের চতুষ্কোণ থেকে কাঠের পিন ফেলে দেয়। লিও তলস্তয় ছিলেন এই পুরোনো রুশ লোকখেলার উৎসাহী খেলোয়াড়, তবু এর একীভূত লিখিত নিয়ম তৈরি হয় কেবল 1923 সালে।

হট-এয়ার বেলুন
আবিষ্কার

হট-এয়ার বেলুন

📍 আনোনে, ফ্রান্স

কাগজ প্রস্তুতকারক জোসেফ ও এতিয়েন মঁগলফিয়ে 1783 সালের জুনে নিজেদের শহর ফ্রান্সের আনোনেতে প্রথমবার প্রকাশ্যে তাঁদের হট-এয়ার বেলুন ওড়ান। চীনা ফানুস এসেছিল আগেই, কিন্তু প্রথম যাত্রী বহন করে তাঁদের বেলুনই: একটি ভেড়া, একটি হাঁস আর একটি মোরগ।

ডগ অ্যাজিলিটি
খেলা

ডগ অ্যাজিলিটি

📍 লন্ডন (অলিম্পিয়ায় ক্রাফটস), ইংল্যান্ড

ডগ অ্যাজিলিটির শুরু লন্ডনে 1978 সালের ক্রাফটস ডগ শোতে বিরতির বিনোদন হিসেবে, যেখানে কুকুরেরা ঘোড়ার শো জাম্পিংয়ের আদলে বানানো এক কোর্সে দৌড়ায়। 1980 সালে ক্রাফটসে এটি পুরোদস্তুর প্রতিযোগিতা হয়ে ওঠে।