Whence
বিজি লিজি (ইম্প্যাশেন্স)
প্রকৃতি

বিজি লিজি (ইম্প্যাশেন্স) কোথা থেকে এসেছে?

জানালার বাক্স আর পার্কের বেডের বিজি লিজি বুনো অবস্থায় জন্মায় পূর্ব আফ্রিকায়, কেনিয়া থেকে মোজাম্বিক পর্যন্ত। এর ল্যাটিন নাম Impatiens মানে ‘অধৈর্য’: পাকা বীজের থলি ফেটে গিয়ে বীজ ছিটকে বেরোয়।

সূত্র: en.wikipedia.org ↗

আরও প্রাণী ও গাছপালা

পূর্বাঞ্চলীয় ধূসর কাঠবিড়ালি
প্রকৃতি

পূর্বাঞ্চলীয় ধূসর কাঠবিড়ালি

📍 পূর্ব উত্তর আমেরিকা

ব্রিটেনের ধূসর কাঠবিড়ালিরা আসলে আমেরিকান: প্রজাতিটির আদি নিবাস পূর্ব উত্তর আমেরিকা, আর 1870-এর দশক থেকে ব্রিটিশ জমিদারি এস্টেটগুলোতে এদের ছাড়া হয়। এরপর এরা ব্রিটেনের স্থানীয় লাল কাঠবিড়ালিদের বেশির ভাগকেই হটিয়ে দিয়েছে।

মুরগি
প্রকৃতি

মুরগি

📍 মূল ভূখণ্ডের দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া

মুরগির পূর্বপুরুষ মূলত দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার লাল বনমোরগ। জানা প্রাচীনতম মুরগির হাড়, প্রায় 3,500 বছরের পুরোনো, পাওয়া গেছে উত্তর-পূর্ব থাইল্যান্ডের বান নন ওয়াটে, যেখানে বুনো পাখিরা সম্ভবত কৃষকদের ধানখেতের টানে আসত।

আইসল্যান্ডিক ঘোড়া
প্রকৃতি

আইসল্যান্ডিক ঘোড়া

📍 আইসল্যান্ড

আইসল্যান্ডিক ঘোড়া এসেছে 1,000 বছরেরও আগে নর্স বসতি স্থাপনকারীদের আনা টাট্টু ঘোড়া থেকে। আজ আইসল্যান্ডে কোনো ঘোড়া আমদানি করা যায় না, আর যে ঘোড়া বেরিয়ে যায় তা আর ফিরতে পারে না। অনেকে টল্ট নামের বাড়তি মসৃণ চালে চলতে পারে।

আফ্রিকা থেকে আরও গল্প

হর্নড মেলন (কিওয়ানো)
খাবার

হর্নড মেলন (কিওয়ানো)

📍 কালাহারি ও দক্ষিণ আফ্রিকা

কাঁটাওয়ালা হর্নড মেলন বুনো অবস্থায় জন্মায় কালাহারির আশেপাশে, যেখানে শুকনো মৌসুমে এটি পানির কয়েকটি উৎসের একটি। 1980-এর দশক পর্যন্ত এর নাম ছিল ‘আফ্রিকান হর্নড কিউকাম্বার’; তখন নিউজিল্যান্ড থেকে রপ্তানির জন্য নাম বদলে রাখা হয় কিওয়ানো।

বানি চাও
খাবার

বানি চাও

📍 ডারবান, দক্ষিণ আফ্রিকা

নামে ‘বানি’ থাকলেও এতে কোনো খরগোশ নেই: এটি ভেতরটা ফাঁপা করা সাদা পাউরুটির একটা আস্ত লোফ, যাতে ভরা থাকে কারি। 1940-এর দশকে ডারবানের ভারতীয় সম্প্রদায় এটি তৈরি করে, আর সেখানকার লোকেরা আজও অর্ডার দেয় ‘কোয়ার্টার মাটন’।

শেকেরে (পুঁতির লাউয়ের ঝুনঝুনি)
আবিষ্কার

শেকেরে (পুঁতির লাউয়ের ঝুনঝুনি)

📍 ইয়োরুবাল্যান্ড (দক্ষিণ-পশ্চিম নাইজেরিয়া ও বেনিন)

পুঁতি বা কড়ির জালে মোড়া শুকনো লাউ শেকেরে এসেছে পশ্চিম আফ্রিকার ইয়োরুবাদের কাছ থেকে; 1852 সালের এক ইয়োরুবা অভিধানেই এটি আছে। পরে এটি কিউবা ও ব্রাজিলের সংগীতেরও অপরিহার্য অংশ হয়ে ওঠে।