Whence
কে-পপ (সংগীত)
সংগীত ও নৃত্য

কে-পপ (সংগীত) কোথা থেকে এসেছে?

কে-পপ এসেছে দক্ষিণ কোরিয়ার সিউল থেকে। এর আধুনিক রূপের শুরু সাধারণত ধরা হয় 1992 সালের 11 এপ্রিল থেকে, যখন ত্রয়ী সো তাইজি অ্যান্ড বয়েজ এক কোরীয় টিভি ট্যালেন্ট শোয়ে পরিবেশন করে র‍্যাপ আর ডান্স পপের মিশেল ‘I Know’।

সবচেয়ে কম নম্বর, সবচেয়ে বড় হিট

হেভি মেটাল ব্যান্ডে শুরু করা সো তাইজি 1992 সালে ইয়াং হিউন-সক আর লি জুনোকে নিয়ে দলটি গড়েন, আর তাদের সিঙ্গেল ‘I Know’ বের হয় 23 মার্চ। এপ্রিলে এমবিসির ট্যালেন্ট শোয়ে বিচারকেরা গানটিকে সে রাতের সবচেয়ে কম নম্বর দেন। শ্রোতারা অবশ্য তা মানেননি: গানটি রেকর্ড 17 সপ্তাহ টানা এক নম্বরে থাকে, আর এই সাফল্যের কারণ ধরা হয় এর নিউ জ্যাক সুইং বিট, মনে গেঁথে যাওয়া কোরাস আর কোরীয় সমাজের সমস্যা নিয়ে লেখা কথা।

র‍্যাপ-নাচ থেকে আইডল গ্রুপ

কিশোরদের মধ্যে ত্রয়ীর জনপ্রিয়তা সংগীতশিল্পকে টিন পপের দিকে ঘুরিয়ে দেয়, আর তাদের দ্বিতীয় অ্যালবাম হয় কোরিয়ায় 2 মিলিয়নের বেশি কপি বিক্রি হওয়া প্রথম রেকর্ড। লি সু-মান 1995 সালে এসএম এন্টারটেইনমেন্ট প্রতিষ্ঠা করেন আর গড়ে তোলেন আইডল ব্যবস্থা: গান, নাচ, আদবকায়দা আর সংবাদমাধ্যম সামলানোর কঠোর প্রশিক্ষণের পর 1996 সালে আত্মপ্রকাশ করে H.O.T.। সেই বছরই ইয়াং হিউন-সক, তত দিনে ত্রয়ীর প্রাক্তন সদস্য, প্রতিষ্ঠা করেন ওয়াইজি এন্টারটেইনমেন্ট, আর আইডল গ্রুপের সংখ্যা বাড়তে থাকে।

কেন জাপানের কথা বলা হয়

কে-পপ শব্দটি জে-পপের দক্ষিণ কোরীয় প্রতিরূপ, আর এর প্রথম জানা ব্যবহার বিলবোর্ড পত্রিকায়, 9 অক্টোবর 1999 তারিখে। 1990-এর দশকের শেষ দিকে কোরীয় ট্যালেন্ট এজেন্সিগুলো জে-পপে প্রচলিত আইডল ব্যবসার মডেলও গ্রহণ করে, যেখানে কমবয়সী শিল্পীদের বেছে নিয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। তবু এই সংগীত গড়ে উঠেছে সিউলে, কোরীয় সংগীতশিল্পীদের হাতে পশ্চিমা ডান্স মিউজিক, হিপ-হপ, আরঅ্যান্ডবি আর রক মিশিয়ে, আর নিজের দেশে কোরীয়রা প্রায়ই আজও তাঁদের পপ সংগীতকে বলেন গায়ো (gayo)।

সূত্র: en.wikipedia.org › K pop ↗ · en.wikipedia.org › I Know (Seo Taiji and Boys song) ↗ · koreaherald.com ↗

আরও সংগীত ও নৃত্য

হিপ হপ (সংগীত)
সংগীত ও নৃত্য

হিপ হপ (সংগীত)

📍 ব্রঙ্কস, নিউ ইয়র্ক সিটি, যুক্তরাষ্ট্র

হিপ হপ গড়ে ওঠে 1970-এর দশকে, আর এর সবচেয়ে পরিচিত জন্মদিন 1973 সালের 11 আগস্ট: ব্রঙ্কসের এক অ্যাপার্টমেন্ট ভবনে স্কুল খোলার আগের এক পার্টি, যেখানে জ্যামাইকায় জন্মানো ডিজে কুল হার্ক দুটি টার্নটেবিলে একই রেকর্ডের দুই কপি বাজিয়ে নাচিয়েদের প্রিয় ড্রাম-বিরতিটি লম্বা করে দেন।

তবলা (হাতে বাজানো জোড়া ঢোল)
সংগীত ও নৃত্য

তবলা (হাতে বাজানো জোড়া ঢোল)

📍 উত্তর ভারত (দিল্লির আশেপাশে)

তবলা, হাতে বাজানো এক জোড়া ঢোল, রূপ পায় অষ্টাদশ শতকে উত্তর ভারতে; এর প্রথম জানা ওস্তাদ সিদ্ধার খাঁ বাজাতেন দিল্লিতে। প্রতিটি ছাউনির কালো গোলটি, সিয়াহি (‘কালি’), ভাতের মণ্ড আর কালো গুঁড়োর স্তরে গড়া, যার গুণে ঢোল দুটি সুরেলা গেয়ে ওঠে।

ওয়াল্টজ (নাচ)
সংগীত ও নৃত্য

ওয়াল্টজ (নাচ)

📍 বাভারিয়া ও অস্ট্রিয়ার আল্পস

ওয়াল্টজের শুরু অষ্টাদশ শতকে আল্পসের গ্রাম্য নাচ হিসেবে, বাভারিয়া, টিরোল আর স্টিরিয়ার কৃষকেরা ঘুরে ঘুরে নাচতেন; নামটি এসেছে জার্মান ‘walzen’, অর্থাৎ ‘ঘোরা’ থেকে। ভিয়েনার বলরুম একে বিখ্যাত করে, যদিও সমালোচকেরা বহুদিন এর ঘনিষ্ঠ আলিঙ্গনকে অশালীন বলতেন।

এশিয়া থেকে আরও গল্প

ডিম সাম
খাবার

ডিম সাম

📍 গুয়াংঝৌ (ক্যান্টন), চীন

ক্যান্টনিজ ভাষায় ‘হৃদয় ছোঁয়া’ ডিম সাম গড়ে ওঠে গুয়াংঝৌয়ের চায়ের দোকানে, যেখানে পথিকেরা চায়ের সঙ্গে কয়েক টুকরো ছোট খাবার খেতে থামত। yum cha (‘চা পান’) নামের এই রীতি পরে হংকংয়ে ফুলেফেঁপে ওঠে।

হানেৎসুকি (নববর্ষের ব্যাটলডোর)
খেলা

হানেৎসুকি (নববর্ষের ব্যাটলডোর)

📍 জাপান

হানেৎসুকি জাপানের নববর্ষের খেলা: জাল ছাড়াই hagoita নামের কাঠের প্যাডেলে শাটলকক এদিক-ওদিক মারা। ফসকালেই মুখে কালির দাগ, আর শাটলকক বাতাসে ভাসিয়ে রাখলে মশা দূরে থাকে বলে বিশ্বাস ছিল।

Boondocks (ইংরেজি শব্দ)
শব্দ

Boondocks (ইংরেজি শব্দ)

📍 দক্ষিণ লুজন, ফিলিপাইন

অজ পাড়াগাঁ বোঝানোর এই খাঁটি আমেরিকান অপভাষাটি আসলে তাগালগ: বিংশ শতকের গোড়ায় ফিলিপাইনে থাকা মার্কিন সেনারা bundok, মানে ‘পাহাড়’, শব্দটি শিখে নেন এবং দেশে ফিরিয়ে নিয়ে যান ‘the boondocks’ হিসেবে।