Toucan (ইংরেজি শব্দ) কোথা থেকে এসেছে?
ইংরেজি শব্দ toucan এসেছে দক্ষিণ ব্রাজিল ও প্যারাগুয়ের তুপি–গুয়ারানি অঞ্চল থেকে। শুরুতে এটি ছিল এই অঞ্চলের আদিবাসী ভাষা তুপি বা গুয়ারানিতে পাখিটির নাম, আর 1560-এর দশকে পর্তুগিজ ও ফরাসির মাধ্যমে ইংরেজিতে পৌঁছায়।
তুপি আর গুয়ারানি থেকে নাম
তুপিতে পাখিটি ছিল tukana বা tuka, আর গুয়ারানিতে tukã। দুটি ভাষা তুপি–গুয়ারানি পরিবারের ঘনিষ্ঠ আত্মীয়; এই পরিবার একসময় প্রায় গোটা ব্রাজিলীয় উপকূল জুড়ে আর ভেতরে দক্ষিণের নদী-অববাহিকাগুলো পর্যন্ত ছড়িয়ে ছিল। প্রাচীন তুপি ছিল ব্রাজিলের উপকূলের তুপি জনগোষ্ঠীর ভাষা। রিচার্ড বার্টন তাঁর Highlands of Brazil বইয়ে লিখেছিলেন, নামটি সম্ভবত পাখিটির ডাকের নকল, কিন্তু অক্সফোর্ড ইংলিশ ডিকশনারি জানায়, অন্য ব্যাখ্যাও দেওয়া হয়েছে।
ইউরোপের ভাষাগুলোতে
ঔপনিবেশিক যুগের গোড়ায় তুপি গোটা ব্রাজিলে ইউরোপীয় আর আদিবাসীদের মধ্যে যোগাযোগের সাধারণ ভাষা ছিল, আর পর্তুগিজ নামটি নেয় tucano রূপে। 1550-এর দশকের মধ্যে ফরাসিতে এসে যায় toucan আর স্প্যানিশে tucan, তারপর ইংরেজিও নেয়: মেরিয়াম-ওয়েবস্টার প্রথম জানা ব্যবহারের সময় ধরে 1568 সাল। প্রকৃতিবিদেরা পাখিটিকে aracari নামেও ডাকতেন, যা তুপির আরেকটি নাম বলে কথিত; আজ এটি ছোট টুকানদের নাম। 1590-এর দশকে ফ্লেমিশ মানচিত্রকর পেত্রুস প্লান্সিউস দক্ষিণ আকাশের একটি নতুন তারামণ্ডলের নাম পাখিটির নামে রাখেন Tucana।
কেন মধ্য আমেরিকার কথা মনে আসে
টুকান সত্যিই মধ্য আমেরিকায় থাকে। এই পরিবারের 40টির বেশি প্রজাতি দক্ষিণ মেক্সিকো থেকে মধ্য আমেরিকা হয়ে দক্ষিণ আমেরিকায় উত্তর আর্জেন্টিনা পর্যন্ত ছড়িয়ে আছে, বেশির ভাগই নিচু এলাকার গ্রীষ্মমণ্ডলীয় বনে। এরা কদাচিৎ জল পার হয় আর কখনো ওয়েস্ট ইন্ডিজের দ্বীপগুলোতে পৌঁছায়নি। কিন্তু ইউরোপজুড়ে চালু নামটি এসেছে দক্ষিণ থেকে, ব্রাজিল ও প্যারাগুয়ের তুপি আর গুয়ারানিভাষীদের কাছ থেকে।
সূত্র: etymonline.com ↗ · merriam-webster.com ↗ · en.wikipedia.org › Toucan ↗ · en.wikipedia.org › Tucana ↗ · en.wikipedia.org › Tupi language ↗