বাবল টি কোথা থেকে এসেছে?
বাবল টি এসেছে তাইওয়ান থেকে। 1980-এর দশকে সেখানকার টি-রুমগুলো মিষ্টি চায়ে চিবিয়ে খাওয়ার মতো ট্যাপিওকার গুলি ফেলতে শুরু করে, আর পার্ল মিল্ক টি বা বোবা নামেও পরিচিত পানীয়টি তারপর তাইওয়ান থেকে ছড়িয়ে পড়েছে সারা বিশ্বের শহরে।
দুটি টি-রুম, দুটি দাবি
তাইনানের হানলিন টি-রুমের তু সোং-হ বলেছেন, 1986 সালে ইয়ামুলিয়াও বাজারে তিনি দেখতে পান fenyuan, ছোটবেলায় তাঁর প্রিয় সাদা ট্যাপিওকার গুলি। তিনি সেগুলো সবুজ চায়ে ফেলেন, যেখানে সেগুলো দেখাচ্ছিল তাঁর মায়ের মুক্তার মালার মতো, আর নাম দেন পার্ল গ্রিন টি। তাইচুংয়ে চুন শুই তাংয়ের লিন শিউ হুই বলেছেন, 1987 বা 1988 সালে কর্মীদের এক সভায় তিনি তাঁর আসাম চায়ে ট্যাপিওকার গুলি ঢেলে দেন, আর সেটিই হয়ে ওঠে চেইনটির সবচেয়ে বেশি বিক্রি হওয়া পানীয়।
মুক্তার আগে ঝাঁকানো চা
মুক্তাগুলো এসে পড়ে এক জমজমাট পানীয়-সংস্কৃতিতে। 1949 সালে চাং ফান শু একটি চায়ের দোকান খোলেন, যেখানে বিক্রি হতো ককটেল শেকারে ঝাঁকানো চা; ঝাঁকুনিতে চায়ের ওপরে জমত সূক্ষ্ম বাতাসের বুদবুদের রেশমি স্তর: ‘ফোম টি’। 1980-এর দশকে তাইওয়ানের অর্থনীতি দ্রুত বাড়ার সঙ্গে চায়ের দোকানের রমরমা শুরু হয়। 2009 সালে হানলিন আর চুন শুই তাং তাদের রেষারেষি আদালতে নিয়ে যায়। এক দশক পরে, 2019 সালে, আদালত রায় দেয় যে বাবল টি এমন পানীয় যা যে কেউ বানাতে পারে, তাই এর মালিক কেউ নয়।
কেন বলা হয় জাপান
গল্পজুড়ে জাপানের ছায়া আছে। চুন শুই তাংয়ের প্রতিষ্ঠাতা লিউ হান-চিয়ে জাপান সফরে ঠান্ডা কফি দেখে ঠান্ডা চা পরিবেশন শুরু করেন। 1990-এর দশকের শেষ দিকে বাবল টি জাপানে পৌঁছায়, কিন্তু 2010-এর দশকের আগে তেমন সাড়া ফেলেনি; চুন শুই তাং তাইওয়ানের বাইরে প্রথম দোকান খোলে টোকিওতে, 2013 সালে। তারপর শুরু হয় উন্মাদনা: 2018 সালে নিম্নমাধ্যমিক স্কুলের ছাত্রীদের অপভাষা নিয়ে এক জরিপে শীর্ষে ছিল ‘tapiru’, অর্থাৎ ট্যাপিওকা চা খাওয়া।
সূত্র: en.wikipedia.org › Bubble tea ↗ · en.wikipedia.org › Chun Shui Tang ↗ · cnn.com ↗